নিউজ ডেস্ক :
এ সমাবেশে ১০ লাখ মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বোর্ডের কো- চেয়ারম্যান আল্লামা আশরাফ আলীকে আহ্বায়ক করে গঠিত ১৫ সদস্যের একটি কমিটি এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে ।
এ প্রসঙ্গে সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক আল্লামা আশরাফ আলী জানান, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে বৈঠক করেন সম্প্রতি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়। সেই অনুযায়ী জামিয়াতিল কওমিয়া বোর্ডের চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর নেতৃত্বে গত সোমাবার একটি প্রতিনিধিদল গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।
কওমি বোর্ডের কো- চেয়ারম্যান জানান, প্রধানমন্ত্রী কওমি আলেমদের এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকতে সম্পতি জানিয়েছেন। তার পরামর্শেই সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে সমাবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।৫ নভেম্বর সকাল ১১টায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হবে।
হেফাজতের নেতারা জানান, সংসদে কওমি সনদকে মাস্টার্সের সমমানের স্বীকৃতির বিল পাস হওয়ার পর গত ১ অক্টোবর সংস্থার চেয়ারম্যান ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর আমীর আল্লামা শাহ্ আহমদ শফীর সভাপতিত্বে চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়।
সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মঈনুদ্দীন রুহি বলেন, এটি শোকরিয়া মাহফিল। এই অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।সারা দেশ থেকে ওলামায়ে কেরামরা ৫ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনায় আসবেন। আমাদের টার্গেট ১০ লক্ষাধিক লোক সমাগমের। এই লক্ষ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
লাল বাটনে ক্লিক করে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি:






0 comments: