নিউজ ডেস্ক :
জাতীয় ঐক্য নিয়ে নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ বিতর্কিত রাজনীতিক ড. কামাল। অনেকেই এই ঐক্যকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করছেন। জাতীয় ঐক্য নিয়ে সমালোচিত রাজনীতিক ড. কামালের অবস্থান স্পষ্ট করতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, জাতীয় ঐক্যজোট যে ৭ দফা দিয়েছে তার সব কয়টি সংবিধান পরিপন্থী। কোনটাই গ্রহণযোগ্য নয়। ৭ দফায় শুধু একটা দফা দেয়ার বাকি ছিল। সেটা হলো ‘আমাদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দেন।’ এই এক দফাকে ড. কামালের অলিখিত শর্ত বলে উল্লেখ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
জাতীয় ঐক্য নিয়ে নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ বিতর্কিত রাজনীতিক ড. কামাল। অনেকেই এই ঐক্যকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করছেন। জাতীয় ঐক্য নিয়ে সমালোচিত রাজনীতিক ড. কামালের অবস্থান স্পষ্ট করতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, জাতীয় ঐক্যজোট যে ৭ দফা দিয়েছে তার সব কয়টি সংবিধান পরিপন্থী। কোনটাই গ্রহণযোগ্য নয়। ৭ দফায় শুধু একটা দফা দেয়ার বাকি ছিল। সেটা হলো ‘আমাদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে দেন।’ এই এক দফাকে ড. কামালের অলিখিত শর্ত বলে উল্লেখ করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এ প্রসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষক সবুজ মজুমদার বলেন, তোফায়েল আহমেদ যে একটি দফার কথা বলেছেন, সেটি আসলে উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় না। জাতীয় ঐক্য নিয়ে যে দরকষাকষি আমরা দেখেছি তার অন্তরালে এই গোপন শর্ত যে স্পষ্ট তা তো আর কারো অজানা নেই। এ নিয়ে নতুন করে বলারও কিছু নেই।
এদিকে নাম সর্বস্ব রাজনৈতিক দল গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল যেকোন দলকে ডোবানোর জন্য একাই যথেষ্ট বলে সমালোচনা উঠেছে। বিএনপির জন্য ড. কামালকে অশনি সংকেত বলেও উল্লেখ করা হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। ড. কামালকে নিয়ে তৈরি হওয়া সমালোচনার প্রেক্ষিতে তার রাজনৈতিক চরিত্রও স্পষ্ট করেছেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনকে আওয়ামী লীগ দুই বার দুটি আসনে মনোনয়ন দিলেও তিনি জিততে পারেননি। যদিও পরে সেসব আসনে অন্য প্রার্থী দিয়ে জিতেছিলো আওয়ামী লীগ।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনে ড. কামালের অভিপ্রায় জানাতে গিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিএনপি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারীকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন বানিয়েছে। এমনকি দৈন্যতায় ভোগা একটা দলে যোগ্য কোন লোক না থাকায় ড. কামাল হোসেনের মতো একজন দল ত্যাগকারীকে নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে বিএনপি। বিএনপি আজ বুঝবে না, যখন বুঝবে- তখন কেবল পস্তাবে।
ড. কামালের জনবিমুখ রাজনৈতিক জীবনের ইতিহাস প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ড. কামাল রাজনৈতিক জীবনে কখনো সরাসরি নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি। আওয়ামী লীগ থেকে ড. কামালকে ১৯৮৬ সালে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিলো (ঢাকার ডেমরা-যাত্রাবাড়ী আসন), সেখানে তিনি হেরে যান। ১৯৯১ সালেও তাকে মনোনয়ন দেয়া হয় (ঢাকার মিরপুর আসনে)। সেখানেও তিনি হেরে যান। অথচ প্রার্থী পরিবর্তন করা হলে ওই দুই আসন থেকে জয়ী হয় আওয়ামী লীগ।
জোটে বিএনপিকে নেয়ায় কামাল হোসেনের সমালোচনাও করেন তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘তিনি জোট করেছেন তাদের সাথে, যারা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে শেখ হাসিনাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, ২১ আগস্ট ২৪ জনকে হত্যা করেছে। এর দায়ে যাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। জোট করেছেন তাদের সাথে, যারা ৭১ সালে বাংলার মা বোনের ইজ্জত লুট করেছে। তাদের কোন লক্ষ্য নেই, উদ্দেশ্য নেই। এতকিছু করেছে কেবল নিজের স্বার্থ হাসিলের আশায়। এমন প্রেক্ষাপটে ড. কামালকে অনেকেই ‘রূপধারী’ ধান্দাবাজ বলেও উল্লেখ করছেন।
লাল বাটনে ক্লিক করে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি:






0 comments: